মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা সরকার উৎখাতে আগ্রহী নন। কারণ তা অস্থিরতা ডেকে আনবে বলে মনে করেন তিনি।
জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ মঙ্গলবার সংসদে বলেছেন যে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ অবসানের সময় এসেছে। তিনি গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।
এবার ইসরায়েলকে কঠোর বার্তা দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেছেন ইরানে আর কোনো বোমা হামলা নয়। মঙ্গলবার (২৩ জুন) কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরায় ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের লাইভ সম্প্রচারে এ তথ্য জানানো হয়েছে
ইরান দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং দুটিই প্রতিহত করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতির পর সতর্কতা প্রত্যাহার করে আইডিএফ। এক বার্তায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে ইসরায়েলিদের বেরিয়ে আসা নিরাপদ বলে ঘোষণা করা হয়। এর পরই ইরান হামলা করেছে বলে দাবি করা হয়।
মঙ্গলবার রাতে ইসরাইলের এক হামলায় ইরানের উত্তরাঞ্চলে এক পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন (আইআরআইবি) এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রত্যাশিতভাবে ইরান প্রতিশোধ নিয়েছে, তবে একটি পরিচিত কৌশল অনুসরণ করেই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে আগে থেকেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে বড় বিমানঘাঁটিতে আঘাত হানবে, তবে মৃত্যু বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটাবে না।
ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন হওয়ার পরই দেশটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে এমন দাবি জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি এখন কার্যকর। তিনি আরও যোগ করেন, অনুগ্রহ করে এটিকে লঙ্ঘন করবেন না!
প্রায় দুই সপ্তাহের সংঘাতের পর ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। ইরান ও ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম যুদ্ধবিরতি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সময় ও শর্ত নিয়ে বিভ্রান্তি রয়ে গেছে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত হয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দেওয়ার পরেও ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। মঙ্গলবার (২৪ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে ইরানের দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার বিষয়টি আবার শনাক্ত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। এ নিয়ে বাসিন্দাদের আবার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।