তারেক রহমান বলেন, প্রতি বছরের মতো এবছরও মে মাসের শেষ সপ্তাহে গুম সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে এ আন্তর্জাতিক সপ্তাহ। ২০০৯ থেকে ২০২৪ এর মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে প্রায় ৬৬৬ জন ব্যক্তি গুম হয়েছেন।
সোমবার (২৬ মে) রাত সাড়ে আটটায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মশালায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত। তিনি অংশগ্রহণকারীদের সামনে রাষ্ট্র মেরামতের গুরুত্ব, ছাত্র রাজনীতির ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
ইশরাকের এক সমর্থক বলেন, জনগণের মেয়র ইশরাককে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দেওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা এখান থেকে যাব না। দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা তাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই।
আমাদের জীবনে এগুলো এক সময় যে প্রভাব রাখতো এখন রাখে না। কারণ আমরা এগুলোকে মেইন স্ট্রিমে রাখতে পারিনি। এবং এই গানগুলোকে আমাদের মেইন স্ট্রিমে আনতে হবে।
ইশরাক হোসেনের পক্ষে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। সিটি করপোরেশন আইন ২০০৯ অনুযায়ী এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী এহসানুর রহমান।
ইতিহাস আমাদের দেখিয়েছে, যখনই দেশ সংকটে পড়েছে, তরুণরাই এগিয়ে এসে জাতিকে পথ দেখিয়েছে। বিএনপি এই ঐতিহাসিক সত্যকে সম্মান করে এবং বিশ্বাস করে, তরুণ প্রজন্মই এই দেশের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারক ও গণতান্ত্রিক কাণ্ডারি।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় (হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা) যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা পৃথক লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন রেখেছেন আপিল বিভাগ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আমাদের অনাস্থা এখনো নেই। কিন্তু আপনাদের কথাবার্তা আপনাদের চালচলন মানুষকে কিন্তু বিরক্ত করে তুলেছে। এই কাজগুলো আপনারা করবেন না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ চেয়ে হাইকোর্টে এখনো রিট করেননি বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে হওয়া সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে রোববার (২৫ মে) বিকেলে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি করেন।
ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চায় বিএনপি, প্রধান উপদেষ্টার কাছে সেই দাবিই পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। এ সরকারের অধীনেই একটি সুন্দর নির্বাচনের প্রত্যাশা করে বিএনপি।
সরকার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। বিএনপিসহ গণতন্ত্রকামি দলগুলো ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার পতন চেয়েছে একটি মাত্র কারণে, তা হচ্ছে দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি জাতীয় নির্বাচনের জন্য।
দেশে তো দুর্নীতি কমেনি বরং বেড়েছে। কারণ হাসিনার আমলের ওই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা এখনো রয়ে গেছে। এই সরকার তো দুর্নীতি রোধে হাত দেয়নি!